Header Ads Widget

জিপিএ-৫ ও পাসের হার বাড়লেও ভর্তিযুদ্ধে উল্টোচিত্র


এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দুটোই ঊর্ধ্বমুখী। কিন্তু এই মেধাবীরাই উচ্চশিক্ষার ভর্তিযুদ্ধে মুখ থুবড়ে পড়ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফলের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা এবং মানের প্রকৃত চিত্র বারবার ফুটে উঠেছে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা। আর তাই সৃজনশীল শিক্ষা ব্যবস্থার উপর জোর দেয়ার পরামর্শ তাদের।
এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ বেড়েছে গত বছরের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। সেই সাথে বেড়েছে পাসের হারও। ফলে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের প্রত্যাশার পারদ অনেকটাই চড়া।
কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে কেন এসব সার্টিফাইড মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় বার বার অকৃতকার্য হচ্ছে। তাদের ১২ বছরের শিক্ষা কার্যক্রম একটি ভর্তি পরীক্ষায় পাস করার যোগ্যতা এনে দিতে পারছে না। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ইউনিটে গত পাঁচ বছরের ভর্তি পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১৪ সালে গড় পাসের হার ছিল ১৬ শতাংশ, ২০১৫ সালে গড় পাসের হার ছিল ১৪ শতাংশ, ২০১৬ সালে গড় পাসের হার ১০ শতাংশ, ২০১৭ সালে গড় পাসের হার ছিল ১৭ শতাংশ, ২০১৮ সালে গড় পাসের হার ১৩ শতাংশ।
সিলেবাস নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষাব্যবস্থার শুরু থেকে সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতির উপর জোর দেন অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম।
এদিকে, আসন বাড়ালে এ অবস্থার আরও অবনতি হবে জানিয়ে, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাধর্মী ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার উপর জোর দেয়ার কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নয় বরং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলই হয়ে ওঠে প্রকৃত মেধাবীদের মানদণ্ড।

Post a Comment

0 Comments